রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৪:৩২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
নেতৃত্বে আসছে কারা! খাগড়াছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন চলছে পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে বিডি ক্লিন পার্বত্য চুক্তির ২৩তম বর্ষপূর্তি পালিত হবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শান্তি পরিবহণ অবরোধ ও অফিসে অবস্থান ধর্মঘটের আল্টিমেটাম আনোয়ার হত্যা মামলায় আসামী জসিম এর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যেগ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প খাগড়াছড়িতে জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা বঙ্গবন্ধুকে অবমাননার প্রতিবাদে গুইমারায় মানববন্ধন ও সমাবেশ দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার গুইমারার বড়পিলাকে প্রতিপক্ষের আতর্কিত হামলায় আহত-৮ মানিকছড়ি থানা-পুলিশের অনন্য দৃষ্টান্ত, ছিনতাইকৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার
এক বছর ধরে সম্মানী ভাতা পাচ্ছেন না ১০ মুক্তিযোদ্ধা

এক বছর ধরে সম্মানী ভাতা পাচ্ছেন না ১০ মুক্তিযোদ্ধা

এক বছর ধরে সম্মানী ভাতা পাচ্ছেন না খাগড়াছড়ির ১০ মুক্তিযোদ্ধা

রাশেদ খন্দকারা : অজ্ঞাত কারণে খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়িতে ১০ বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রায় এক বছর ধরে সম্মানী ভাতা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভাতার জন্য এসব মুক্তিযোদ্ধা মাসের পর মাস ঘুরছেন উপজেলা, জেলা প্রশাসন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দ্বারে দ্বারে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে তারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশ স্বাধীনের পর থেকে মহালছড়ি উপজেলার ২৫ জন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পেয়ে আসলেও একজন মুক্তিযোদ্ধা মারা যাওয়ায় সংখ্যা নেমে আসে ২৪। গত জানুয়ারি মাস থেকে ১০ মুক্তিযোদ্ধা তাদের সম্মানী ভাতা পাচ্ছেন না। এই নিয়ে একাধিকবার বিভিন্ন দফতরে ধর্ণা দিলেও বিষয়টির সুরাহা হয়নি।
মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহ জাহান পাটোয়ারী বলেন, প্রশাসনিক জটিলতার কারণে গত ১০ মাস ধরে ১৪ জন মুক্তিযোদ্ধার ভাতা দেওয়া হচ্ছে। তবে কারও নামে ভাতা বন্ধ করা হয়নি। ফলে ১৪ জনের ভাতা পর্যায়ক্রমে ২৪ জনের মধ্যে বন্টন করা বিষয়টি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদও বিপাকে পড়েছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটি বয়ষ্ক ভাতা বা বিধবা ভাতা নয়, এটি আমাদের সম্মানী ভাতা। ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা অপমান বোধ করছি।
প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা সাহেব মিয়ার ছেলে মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ভাতা নিয়ে আমরা ভোগান্তিতে রয়েছি। ইউএনও অফিসে গেলে বলা হয়, ডিসি অফিসে যাও, ডিসি অফিসে গেলে বলা হয় মন্ত্রণালয়ে যাও। এভাবে এক বছর পার হয়ে গেছে।
মহালছড়ি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার চাহ্লাপ্রু চৌধুরী ভাতা বন্ধ হওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়াকে দায়ী করে বলেন, তার ভুলের কারণে মুক্তিযোদ্ধারা গত প্রায় এক বছর ধরে তাদের সম্মানী ভাতা পাচ্ছেন না। এই বিষয়ে তিনি বিভিন্ন দফতরে ধর্ণা দিলেও কোন ফল পায়নি।
তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মুক্তযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা বন্ধ হওয়ার কারণ তার জানা নেই।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, তিনি এই বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চিঠি লিখেছেন। শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডণীয় অপরাধ।

Design & Developed BY Muktodhara Technology Ltd
error: Content is protected !!