রামগড়ে জোত পার্মিটের নামে কচি-কাঁচা গাছ কেটে বন উজার চলছে

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক:: জোত পার্মিটের নামে কচি-কাঁচা গাছ কেটে বনজ সম্পদ উজাড় করে কাঠ পাচারে সক্রিয় হয়ে উঠেছে রামগড় উপজেলার মাহবুবনগর এলাকার প্রফেসর শফি কোম্পানী নামক কাঠ পাঁচারকারী। বাগানের ছোট ছোট গাছ কেটে বন উজার করেই চলেছে। কচি-কাঁচা গাছের কিছু অংশ কাজে লাগলেও অন্য অংশ জ্বালানী হিসেবে ইট পোড়ানোর জন্য পাচার কারীদের নিকট বিক্রয় করা হয়।

বিস্তারিত জানতে গেলে প্রফেসর শফি’র ভাগ্নে বাহার উদ্দীন বলেন, আমি গাছ লাগিয়েছি, আমি কাটব, তাতে কারো বাধা দেওয়ার অধিকার নেই। হোক তাতে ছোট কিংবা কচি গাছ।

এ ছাড়াও প্রতিদিন রাতের আধারে লক্ষ লক্ষ টাকার জ্বালানী কাঠ ট্রাক বোঝাই করে পুলিশ প্রশাসনের ছত্রছায়ায় পাঁচার হচ্ছে। প্রতি গাড়িতে নির্ধারীত হাড়ে চাঁদা দিয়ে কাঠ পাঁচার করছে এক শ্রেণির চোরাই কাঠ ব্যবসায়ীরা। তারা এতই ক্ষমতাশীন যে, দিন-দুপুরে ও রাতের আধারে নির্বিঘেœ কাঠ পাচার করছে, অথচ পাঁচার প্রতিরোধ করার মত কেউ নেই।

নানা ভাবে অবৈধকে বৈধতা দেখিয়ে হিসাব-নিকাশ আর সাইজ লিস্টে কি আছে, তা জানেন শুধু অফিসের বড় বাবু আর কাঠ ব্যবসায়ীরা, কিন্তু গোপনে লেনদেন হচ্ছে। রামগড় রেঞ্জ অফিসারের দুর্বলতার কারনে এই ধরনের কচি-কাচা গাছ পাহাড় থেকে পাচার হচ্ছে।

স্থানীয় পরিবেশ বান্ধবরা জানান, কাঠ পাঁচার রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই বনভূমি উজাড় হয়ে পড়বে। বাগানের কচি-কাঁচা গাছ কাটার কারনে প্রাকৃতিক পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে। ঝুকির সম্মূখিন হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

বিভাগীয় বনকর্মকর্তা খাগড়াছড়ি সাথে ফোনালাপে যানাযায়, প্রফেসর শফি কোম্পানী যে জোত পার্মিট করেছে তাতে কোন অনিয়ম ও বন আইন লঙ্ঘন করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Specify Facebook App ID and Secret in Super Socializer > Social Login section in admin panel for Facebook Login to work

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*