খাগড়াছড়ির আলোচিত স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদন্ড

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক,খাগড়াছড়ি:: খাগড়াছড়িতে পরকিয়া প্রেম ও পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী শিরীনা আক্তার (২৪) কে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে স্বামী নিজাম উদ্দিনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে বিচারিক আদালত। খাগড়াছড়ি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রেজা মো: আলমগীর হাসান মামলার একমাত্র আসামী নিজাম উদ্দিন এর উপস্থিতিতে রবিবার দুপুরে এ রায় ঘোষনা করেন।

৩০২ ধারায় মৃত্যু দন্ডের পাশাপাশি নিজাম উদ্দিনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডিত করা হয়। পারিবারিক কলহ ও পরকীয়া প্রেমের জের ধরে বিগত ৩ অক্টোবর ২০১৮ সালের দিবাগত রাতে শালবন এলাকায় নিজ বাড়ীতে স্ত্রী শিরীনকে গলায় দঁড়ি পেচিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যাকা- প্রমাণিত হওয়ায় নিজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালত এ রায় দেয়। পর দিন ৪ অক্টোবর শিরীন আক্তারের পিতা তাজুুল ইসলাম মেয়ে হত্যার ঘটনায় হত্যা মামলা দয়ের করেন। আদালত চলতি বছরের ২৫ মার্চ ২০১৯ চার্জশীট দাখিল করলে আদালত মামলার এ রায় দেন।

শিরিনা আক্তারকে হত্যার পর স্বামী নিজাম উদ্দন তা ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে নানা কৌশল অবলম্বন করে বলে আদালতের রায় পর্যবেক্ষনে বলা হয়। রায়ে ঘোষনার সাত কার্য দিবসের মধ্যে আপীল দায়ের করা যাবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

এ রায়ে তাজুল ইসলাম মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, তার মেয়েকে মিথ্যা রায়ে তিনি সন্তুষ্ট। এ সময় তিনি দ্রুত রায় কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট বিধান কানুনগো রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন,মামলা চলাকালীন রাষ্ট্রপক্ষ মোট ১০জনের স্বাক্ষ্য আদালতে উপস্থাপন করা হয়। মাত্র এক বছরের মাথায় আদালত রায় ঘোষনা করেন। অপর দিকে আসামীপক্ষের আইনজীবি এডভোকেট মো: আরিফ এ রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করা হবে জানান।

স্ত্রীকে হত্যার পর এক বছরের শিশু কন্যাকে শ^শুড় বাড়ীতে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ঘাতক নিজাম উদ্দিনকে আটক করে পুলিশে দেয় পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় পর দিন ৪ অক্টোবর শিরিনা আক্তার শিরিন’র পিতা মো: তাজুল ইসলাম খাগড়াছড়ি সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ০৩,তারিখ-০৪-১০-২০১৮ ইং ধারা ৩০২ দ:বি দায়ের করেন।

Leave a Reply

Specify Facebook App ID and Secret in Super Socializer > Social Login section in admin panel for Facebook Login to work

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*