বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন

মাটিরাঙ্গায় ভুয়া ডাক্তারের ১ বছর কারাদণ্ড

মাটিরাঙ্গায় ভুয়া ডাক্তারের ১ বছর কারাদণ্ড

আল-মামুন,খাগড়াছড়ি:: খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ভুয়া এমবিবিএস সনদধারী সিফাত হাসান শাহিন নামের এক প্রতারককে আটক করে ১বছরের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) শনিবার দুপরের দিকে উপজেলার একটি চেম্বার থেকে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মাটিরাঙ্গা ইউএনও পরিচালিত অভিযোনে এ কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আটক সিফাত হাসান শাহিন কদমতলী ঢাকার দনিয়া এলাকার ১৩৮৯,সওদাগর বাড়ির মো. জজ মিয়ার ছেলে। তাকে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন-২০১০ এর ২৯ ধারায় তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জানা যায়, সে দীর্ঘদিন ধরে সে সিফাত হাসান শাহিন নিজেকে এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (মেডিসিন) ও সিসিডি (বারডেম) মেডিসিন বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সামনের জমিলা ফার্মেসীতে চেম্বার করে আসছে। দীর্ঘ প্রতারনার পর চিকিৎসকদের হাতেই সে ধরা পড়ে ডিগ্রীধারী এই ভুয়া চিকিৎসক। সে মুলত সাধারণ মানুষের সরলতাকে পুঁজি করে দীর্ঘ দিন ধরে এ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল বলে পরিচালিত অভিযান সূত্র জানায়।

সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) বিকালে জমিলা ফার্মেসীতে ভুয়া প্রতারক চিকিৎসক সিফাত এর সাথে কথা বলেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তরুণ চিকিৎসক ডা. এমরান হোসেন, ডা. নাহিদা আকতার ও ডা. শরীফুল ইসলাম।

পরে আচরন ও কথাবার্তায় সন্দেহ হলে তারা রাতভর বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের করে ভুয়া হিসেবে শনাক্ত করে। পরে আজ শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালের আবারো জমিলা ফার্মেসীতে এসে তার বিষয়ে জানিতে তথ্য পেয়ে যাওয়ার বিষয়ে নিজেকে ভুয়া এমবিবিএস, বিসিএস ও এফসিপিএস ডিগ্রীধারী জানালো সে হাতে নাতে ধরা পড়ে।

সিফাত শাহিন ১৯৯৩ সালে এসএসসি,১৯৯৫ সালে এইচএসসি পাস করলেও জাতীয় পরিচয়পত্রে প্রদত্ত জন্ম তারিখে তার জন্মতারিখ ১৭ মার্চ ১৯৯৪ইং। তিনি জনৈক ডা. দিলরুবা আকতারের বিএমডিসি রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার-৩৯২৬৬ নিজের দাবী করে দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করে আসছিল।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ জানান, অভিযানকালে সিফাত হাসান শাহিন কোনো বৈধ সনদ দেখাতে ব্যর্থ হয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে নিজেকে ভুয়া ডাক্তার হিসেবে স্বীকার করে। ফলে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন-২০১০ এর ২৯ ধারায় ভুয়া পদবী নাম ব্যবহারের অপরাধে তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় বলে জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

Design & Developed BY CHT Technology
error: Content is protected !!