সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
খাগড়াছড়ি কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন সভাপতি মো: কাশেম,সম্পাদক মনির নেতৃত্বে আসছে কারা! খাগড়াছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন চলছে পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে বিডি ক্লিন পার্বত্য চুক্তির ২৩তম বর্ষপূর্তি পালিত হবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শান্তি পরিবহণ অবরোধ ও অফিসে অবস্থান ধর্মঘটের আল্টিমেটাম আনোয়ার হত্যা মামলায় আসামী জসিম এর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যেগ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প খাগড়াছড়িতে জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা বঙ্গবন্ধুকে অবমাননার প্রতিবাদে গুইমারায় মানববন্ধন ও সমাবেশ দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার গুইমারার বড়পিলাকে প্রতিপক্ষের আতর্কিত হামলায় আহত-৮

প্রধান শিক্ষকেই যখন জালিয়াতির মহানায়ক

মোটা অঙ্কে চলে শিক্ষক এমপিও’র মহাযজ্ঞ

নিজস্ব প্রতিবেদক:: নাম তার মোয়াজ্জেম হোসেন। পেশায় একজন প্রধান শিক্ষক। তবে ভিন্ন রকম। খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলাধীন হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে এই প্রধান শিক্ষক অনিয়ম দুর্নীতি ও জালিয়াতির মহাযজ্ঞে নেমেছে এই উপজেলায়। অভিযোগ রয়েছে শিক্ষক এমপিও নিয়ে একের পর এক অনিয়ম দুর্নীতি-আর জালিয়াতি স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে এই প্রধান শিক্ষক।

খোঁজ নিয়ে জানাযায়,বিদ্যালয়টি স¤প্রতি এমপিওভূক্ত হয়। তারপর শিক্ষক কর্মচারী এমপিও ভূক্তির কাজে শুরু হয় প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন এর কেরামতি। সরকারী বিধি মোতাবেক এনটিআরসির নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষককে বাদ দিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি ও জালিয়াতির মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে খন্ডকালীন শিক্ষকদের ভূয়া নিয়োগ দেখিয়েছেন প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন।

এনটিআরসি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত সায়মন মারমা জানান, গত ২৭ অক্টোবর ২০১৬ ইং নিয়োগপত্র পেয়ে যোগদান করেন তিনি। পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক তার কাছ থেকে নগদ ১ লক্ষ টাকা নেয়। পরে আরো ৫০ হাজার টাকা দিতে চাপ দেয়।

এক পর্যায়ে টাকা না দেওয়ায় ঐ প্রধান শিক্ষক সুকৌশলে আমাকে স্কুলে না আসতে বলেন এবং তারই এক আত্মীয় সুলতানাকে পূর্বের নিয়োগ দেখিয়ে এমপিওভূক্ত করার জন্য ফাইলপত্র তৈরি করেন। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে আমি চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসে অভিযোগ দাখিল করলে প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন ভাবে দেনদরবার করে বেড়াচ্ছেন। সর্বশেষ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের অফিসে মীমাংসা সভা হয় সেখানেও কোন সমাধান হয়নি বরং কালক্ষেপন করে চলেছে।

এছাড়া আরও একজন শিক্ষক ফরিদ উদ্দীনকেও টাকার বিনিময়ে পূর্বের নিয়োগ দেখিয়ে এমপিওভূক্ত করেছে এবং সাটিফিকেট সমস্যা আছে এমন শিক্ষকদের এমপিও করানোর জন্য তোরজোর চালানো হচ্ছে বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।

এসব অনিয়ম দুর্নীতি ও জালিয়াতির বিষয়ে হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। এদিকে-স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্য আইয়ুব আলী মেম্বার ও আবদুল কাদের প্রধান শিক্ষককের এসব অনিয়মের বিষয়ে অবগত নয় বলে জানান।

স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাফছড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান চাইথোয়াই চৌধুরী বলেন, শিক্ষক এমপিও নিয়ে অনিয়ম ও জালিয়াতির বিষয়ে আমি জানতাম না। প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করেছে বলেও ধারনা করছি। সে কৌশলে আমাকে বিপাকে ফেলেছে বিশ্বাসের অমর্যাদা করেছে তার ব্যাপার কঠিন সিদ্ধান্ত অপেক্ষা করছে বলে তিনি জানান।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডণীয় অপরাধ।

Design & Developed BY Muktodhara Technology Ltd
error: Content is protected !!