সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
খাগড়াছড়ি জেলা আ’লীগের কমিটি অনুমোদন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের শোক খাগড়াছড়িতে নিষিদ্ধ পিরানহা ব্যবসায়ীকে জরিমানা দীঘিনালায় অসুস্থ দুই ব্যক্তিকে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহায়তা গুইমারায় অসহায় ব্যাক্তির ভূমি দখলের অভিযোগ দূর্ঘটনায় আহত শ্রমিককে মানবিক সহায়তা জেলা আইনজীবি সমিতির খাগড়াছড়িতে উপায় ‘এ দেওয়া যাবে ট্রাফিকের জরিমানা গুইমারা রিজিয়ন ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বাঙ্গালী ও পাহাড়ী জনগণের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান। খাগড়াছড়িতে লকডাউনের ষষ্ঠ দিনেও কঠোর প্রশাসন খাগড়াছড়িতে ৩০ শয্যার করোনা ইউনিটের উদ্যোগ জেলা পরিষদের
গুইমারার তিন যুবক এক বছরের বেশি সময় বিদেশ থাকার পর নানা অভিযোগ

গুইমারার তিন যুবক এক বছরের বেশি সময় বিদেশ থাকার পর নানা অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :: গুইমারার তিন যুবক এক বছরের বেশি সময় বিদেশ থাকার পর নানা অভিযোগ। গত বছর পোল্যান্ড-এর পাওয়ারল্যান্ড অঞ্চলে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে জনপ্রতি ৩ লক্ষ টাকা করে মোট ৯ লক্ষ টাকার বিনিময়ে সোমালিয়া পাঠানোর অভিযোগ করছে।

অভিযোগকারী তিন যুবক মোঃ নাছির, দিদারুল আলম ও নজরুল ইসলাম’কে এক রাষ্ট্রে নেয়ার কথা বলে অন্য রাষ্ট্রে পাঠানোর বিষয়ে নজরুল ইসলামের পিতা ফজর আলী, দিদারুল আলমের স্ত্রী নুর নাহার ও মোঃ নাছিরের স্ত্রী হাজেরা বেগম বাদী হয়ে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট পৃথক তিনটি অভিযোগ করেন। নির্বাহী অফিসার বিদেশ পাঠানো ব্যক্তিদেরকে যেকোনভাবে দেশে ফিরিয়ে আনার পরামর্শ দেন।

বিদেশ নেওয়া ব্যক্তিগণ একই উপজেলার বাসিন্দা আব্দুর রহিম ও সুব্রত নাথ (সোমালিয়া প্রবাসী)। তাদের সাথে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে, তারা বিদেশে পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করেছে। সোমালিয়া প্রবাসী সুব্রত নাথ মোবাইলে বলেন, তাদেরকে যে রাষ্ট্রে আনার কথা ছিলো সেখানেই আনা হয়েছে। তারা সেখানে ঠিকমতো কাজ না করলে কিংবা অন্য কোন রাষ্ট্রে যেতে চাইলে তার দায়ভার আমার নয়। তাদের প্রতি কোন অন্যায় করে থাকলে তা ২-৩ মাসের মধ্যে জানাতে পারতো। কিন্ত এক বছরের বেশি সময় হয়ে যাওয়ার পরও এমন অভিযোগ উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তাদের পরিবার মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আমাদেরকে অন্যায়ভাবে হয়রানি করছে।

তাছাড়া অভিযোগকারী ব্যক্তিদেরকে বিদেশ আনার বিষয়ে স্থানীয় নুরুল ইসলাম (মেম্বার) ও এলাকার সর্দার আব্দুল মমিন জানেন।

তিন যুবকের পরিবারের লোকজন স্থানীয় সাংবাদিককে বলেন, দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় হলেও তারা তিনজন সোমালিয়া’য় কাজ করতে পারেননি এবং সেখানে খাদ্য ও বাসস্থান সঙ্কটে পড়ে অসহায় হয়ে পড়েছে। তাদের থাকা ও খাওয়ার খরচ প্রতিমাসে পরিবারের পক্ষ থেকে পাঠাতে হয়।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডণীয় অপরাধ।

Design & Developed BY Muktodhara Technology Ltd