শুক্রবার, ১৮ Jun ২০২১, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
মাথা গোঁজার ঠাঁই পাচ্ছে জমিলার পরিবার খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদে করোনা প্রতিরোধক বুথ উদ্বোধন পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতিদের সরকারি খাস ভূমি দখল ও ঘর বাণিজ্যের হিড়িক পার্বত্যাঞ্চলে বাঙালি শরনার্থীদের মানবেতর জীবন যাপন খাগড়াছড়িতে উন্নয়ন কাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র খাগড়াছড়িতে ২৪ ঘন্টায় ১৩ জন করোনায় আক্রান্ত সিন্দুকছড়িতে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর বুঝে পাচ্ছেন গৃহহীন পরিবার পাহাড়ে চলমান উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি নিয়ে চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন বোর্ডের ৪র্থ সভা খাগড়াছড়িতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিকলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন হতদরিদ্রদের “ঘরের” স্বপ্ন পূরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী
খাগড়াছড়িতে চাষ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম “জাপানিজ সূর্যডিম”

খাগড়াছড়িতে চাষ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম “জাপানিজ সূর্যডিম”

নিজস্ব প্রতিবেদক,

বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম জাপানিজ সূর্যডিম বা মিয়াজাকি আম হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে খাগড়াছড়িতে। বিশ্বের সেরা ও দামি আমের খেতাব পাওয়া আমটি বিশ্ব বাজারে ‘রেড ম্যাংগো’ বা এগ অব দ্য সান’ নামে পরিচিত থাকলেও বাংলাদেশে ‘সূর্যডিম আম’ নামেই পরিচিত।

বর্তমানে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে দেশী বিদেশী প্রায় ৬৫ জাতের আম চাষ করছে আম চাষীরা।এর মধ্যে মালইশিয়ান, বিদেশী ব্যানানা, কিউ জাই, থ্রি টেস্ট, ফুনাই, লাল ফুনাই, কিং অফ চাকপাত, ব্লাক স্টার আম পূর্ব থেকে চাষ হয়ে আসছে। এর মধ্যে নতুন করে যোগ হলো বিশ্বখ্যাত রেড ম্যাংগো বা সূর্যডিম আমটি।

খাগড়াছড়িতে গত তিন বছর আগে প্রথম এ আমটির চাষ শুরু করেন কৃষক আতিয়ার, সাসিমং, দ্বীপংকর চাকমা, হ্ল্যাশিমং চৌধুরী সহ বেশ কয়েকজন। এবারই প্রথম খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার ধুমনিঘাট এলাকায় কৃষক হ্ল্যাশিমং চৌধুরীর রোপণকৃত উঁচু পাহাঁড়ের ঢালুতে প্রায় ১শ ২০টি গাছে সূর্যডিম আম ধরে।  সবুজ পাহাড়কেই যেন রঙিন করে তুলেছে আমে।আম। প্রতিটি আমের ওজন প্রায় ৩০০ গ্রাম। পুরো আম লাল রঙে মোড়ানো।

মহালছড়ির ধুমনিঘাট এলাকায় ৩৫ একর পাহাড় জুড়ে ফল চাষ করে ‘ক্রা এ্এ এগ্রো ফার্ম’ গড়ে তুলেছেন কৃষক হ্ল্যাশিমং চৌধুরী। সে ফার্মে ২০১৬ ও ১৭ সালে শখের বসেই মিয়াজাকি আমের চাষাবাদ শুরু করেন তিনি।

স্থানীয়রা বলছেন, বিশ্বের সেরা ও দামি আমের খেতাব পাওয়া মিয়াজাকি বা সূর্যডিম আমের চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন খাগড়াছড়ির কৃষক হ্ল্যাশিমং চৌধুরী। পাহাড়ি ঢালু জমিতে মিয়াজাকি আমের সাফল্যে বিস্মিত কৃষি বিভাগও।

কৃষক হ্ল্যাশিমং চৌধুরী জানান, ‘তার বাগানে প্রায় ৬০ প্রজাতির আম রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে তিনিই প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে এ জাতের আমের আবাদ শুরু করেছেন। চার বছর আগে দেশের বাইরে থেকে চারা সংগ্রহ করে মিয়াজাকি আমের চাষাবাদ শুরু করার কথা জানিয়ে হ্ল্যাশিমং চৌধুরী বলেন, বিদেশী প্রজাতি হওয়ায় ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে আমটি চাষাবাদ করেছেন। রোপণের চার বছর পরে ভালো ফলনও পেয়েছেন। আমটি রঙ অত্যন্ত সুন্দর। দাম বেশী হওয়ায় এটি স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয় না। দেশের বিভিন্ন সুপার শপে এটি পাওয়া যাবে। আমটি বাগান থেকে কিনে নিয়ে যাচ্ছে অনেক শৌখিন ক্রেতাও। পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকরা এ আম চাষ করে লাভবান হতে পারবে বলে তিনি জানান ।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডণীয় অপরাধ।

Design & Developed BY Muktodhara Technology Ltd