বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৬:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
তুমব্রুর পর মর্টারশেলের শব্দে কেঁপে উঠল জামছড়ি পাহাড় ধসে খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কে কয়েক হাজার পর্যটক আটকা দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পাঁচ শতাধিক রোগীকে চক্ষু চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলায় ক্ষতির সম্মুখীন বাংলাদেশ গুইমারাতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২২ উদযাপন খাগড়াছড়িতে শারদীয় দুর্গোৎসবে গুইমারা সেনা রিজিয়নের সহায়তা ও শুভেচ্ছা বিনিময় পাহাড়ে সকল সম্প্রদায়ের ঐক্যবদ্ধ সহাবস্থান শান্তি-সম্প্রীতির উদাহরণ ২৩ প্রকল্পের কাজ না করে ভূয়া বিল দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাহাড়ের তিন ফুটবল কণ্যা ও সহকারি কোচকে পুনাকের সংবর্ধনা খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত
পার্বত্য জেলার সাজেকে আবারও পাহাড় ধ্বস ,যান চলাচল স্বাভাবিক ৯ ঘন্টা পর

পার্বত্য জেলার সাজেকে আবারও পাহাড় ধ্বস ,যান চলাচল স্বাভাবিক ৯ ঘন্টা পর

নুরুল আলম ::: খাগড়াছড়ির পার্শবর্তী জেলার রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে মারিশ্যা-দিঘিনালা ও পর্যটক নগরী সাজেক সড়কের বেশ কয়েকটি স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে করে সারাদেশের সাথে খাগড়াছড়ি, বাঘাইছড়ি ও সাজেকের সাথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ছিল নয় ঘন্টা। রাতভর ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড়ের মাটি ধসে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। সড়কের দুই পাশে এম্বুলেন্স সহ বড় ছোট অনেক গুলো যানবাহন আটকা পড়তে দেখা গেছে।

শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে সাজেক সড়কে হাউজ পাড়ার উপরে এলাকায় এই পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। তবে এই ঘটনায় কোন হতাহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি। সংবাদ পেয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১২ বীর বাঘাইহাট জোনের সেনাসদস্য ও খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগের লোকজন সড়কের মাটি সরানোর কাজ শুরু করে। সড়ক বিভাগ বলছে, সড়কের মাটি সরিয়ে যানচলাচল স্বাভাবিক হতে প্রায় ৯-১০ ঘন্টা সময় লেগেছে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, রাতে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পাহাড়ের বেশ কয়েকটি বড় অংশ সড়কের উপর ধসে পড়েছে, উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে লাল পতাকা দিয়ে সতর্কতা করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, রাতে অতিরিক্ত বৃষ্টির ফলে পাহাড় ধস হয়েছে, বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ের মাটি নরম থাকে তাই মাঝে মধ্যে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে আমাদের বাড়তি প্রস্তুতি নিয়েছি।।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মারিশ্যা-দিঘিনালা সড়কের ১১ কিলোমিটার এলাকায় প্রায় ৮-১০ টি জায়গায় ছোট বড় মাটি ধসের ঘটনা ঘটেছে এবং সড়কের বেশ কয়েকটি জায়গায় বড় বড় গর্ত হতে দেখা গেছে। প্রতি বছরই এই সড়কে ছোট বড় ধরনের পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে, ভারী বৃষ্টিপাত হলে আরো বড় ধরনের পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে এসব এলাকায়।

 

 

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডণীয় অপরাধ।

Design & Developed BY Muktodhara Technology Ltd