শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ১০:০০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
নিজগুণে “পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ” থাকবেন খাগড়াছড়িবাসীর হৃদয়ে আবারো গুইমারায় শান্তিপরিবহন ও কাভার্ডভ্যান মুখোমুখি সংঘর্ষে- নিহত ১ খাগড়াছড়িতে বিদ্যালয়ের গেট চাপায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন পাহাড়ে সুবিধা বঞ্চিত গরীব-মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি ও সার্টিফিকেট বিতরণ খাগড়াছড়িতে বিদ্যালয়ের গেইট ভেঙ্গে শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু মাটিরাঙ্গায় অর্থ লেনদেনকে কেন্দ্র করে হাতা-হাতিতে “হাসান আল মামুন” আহত খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস নিয়ে পাল্টা-পাল্টি কর্মসূচি খাগড়াছড়িতে জ্বালানী তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ ‘পাহাড়ের উন্নয়নে সকল সম্প্রদায়ের সম-অংশীদারিত্ব প্রয়োজন’- সাবেক রাষ্ট্রদূত রাঙামাটিতে বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকী পালিত

খাগড়াছড়িতে অবৈধ বালু উত্তোলন, প্রশাসন নিরব

নিজস্ব প্রতিবেদক:: খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার ৯ টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ মাটি ও বালি পাচারকারি এবং সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে পুরো খাগড়াছড়ি। এতে রয়েছে দেড় শতাধিক বালু মহাল।

অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনকে ম্যানেজ করে একেরপর এক পাহাড় কর্তন, মাটি পাচার, ইজারা ব্যতিরেখে খাল থেকে অবৈধ বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা। বিভিন্ন ইটের ভাটাসহ বাহিরের এলাকায় পাঠানো হচ্ছে এসব বালু ও মাটি।

সম্প্রতি সরেজমিন পরিদশর্ন গিয়ে, খাগড়াছড়ি জেলাশহর, দীঘিনালা, পানছড়ি, মাটিরাঙ্গা, রামগড় মানিকছড়ি, গুইমারা, লক্ষ্মিছড়ি এবং মহালছড়ি এলাকায় বিভিন্ন লোকজনের সাথে কথা বলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাহাড় কাটার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে৷

স্থানীয়রা বলছে, এই এলাকায় পাহাড় খেকো ও বালু উত্তোলন কারি একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। তারা ব্যক্তিবিশেষ কে ম্যানেজ করে পাহাড় কাটে এবং খালে বালু উত্তোলনের মেশিন বসিয়ে বালি উত্তোলন করে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, এখানে বিশাল একটি সিন্ডিকেট হয়েছে। তাদের সিন্ডিকেটের মধ্যে রয়েছে- খাগড়াছড়ি জেলাশহরসহ মোট ৯টি উপজেলায় এই সকল সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে দেড় শতাধিক অবৈধ বালু মাহাল।

সম্প্রতি, গুইমারা উপজেলার বাইল্যাছড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার দায়ে সাচিং মারমা নামে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তুষার আহমেদ বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের কার্যক্রম ধারাবাহিক ভাবে চলমান থাকবে। সরকারের অনুমোদনহীন বালুর ঘাট ও অবৈধভাবে পাহাড় কাটার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা। উক্ত উপজেলার এলাকাবাসী ও সচেতন নাগরিক সমাজের অভিমত ব্যক্ত করে বলে, গুইমারা আরো ১৪টি বালুর ঘাট রয়েছে।

অপরদিকে, অন্যান্য উপজেলায় রয়েছে প্রায় আরো দেড়শতাধীক বালুর ঘাট। বালুর উত্তোলন কারীদের জন্য করা আইনের তোয়াক্কা না করে তারা নির্ধিদায় বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। সুত্রে জানা যায়, প্রভাবশালীরা এসব অপকর্মে সাথে জড়িত বলে কোন সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডণীয় অপরাধ।

Design & Developed BY Muktodhara Technology Ltd