মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
গুইমারাতে চেয়ারম্যান পদে ১১ সংরক্ষিত মহিলা ২৭ ও সদস্য ৭২ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল গুইমারাতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শেখ রাসেল দিবস পালিত গুইমারা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে শেখ রাসেল দিবস পালিত “খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদে শেখ রাসেল জন্মদিন উদযাপন” খাগড়াছড়িতে শেখ রাসেলের জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস “উৎসব আনন্দে র‌্যালী ও কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন” “পাহাড়কে আবারো অশান্ত করার পাঁয়তারা ” দূর্গম পাহাড়ে গাঁজার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে মাদক ব্যবসায়ীরা গুইমারার ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী শানু মুসল্লি ৪ দিন ধরে নিখোঁজ প্রশাসনের নিরবতায়, খাগড়াছড়িতে অবৈধ বালু উত্তোলন অব্যাহত তৃতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহন ২৮ নভেম্বর

খাগড়াছড়িতে অবৈধ বালু উত্তোলন, প্রশাসন নিরব

নিজস্ব প্রতিবেদক:: খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার ৯ টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ মাটি ও বালি পাচারকারি এবং সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে পুরো খাগড়াছড়ি। এতে রয়েছে দেড় শতাধিক বালু মহাল।

অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনকে ম্যানেজ করে একেরপর এক পাহাড় কর্তন, মাটি পাচার, ইজারা ব্যতিরেখে খাল থেকে অবৈধ বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা। বিভিন্ন ইটের ভাটাসহ বাহিরের এলাকায় পাঠানো হচ্ছে এসব বালু ও মাটি।

সম্প্রতি সরেজমিন পরিদশর্ন গিয়ে, খাগড়াছড়ি জেলাশহর, দীঘিনালা, পানছড়ি, মাটিরাঙ্গা, রামগড় মানিকছড়ি, গুইমারা, লক্ষ্মিছড়ি এবং মহালছড়ি এলাকায় বিভিন্ন লোকজনের সাথে কথা বলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাহাড় কাটার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে৷

স্থানীয়রা বলছে, এই এলাকায় পাহাড় খেকো ও বালু উত্তোলন কারি একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। তারা ব্যক্তিবিশেষ কে ম্যানেজ করে পাহাড় কাটে এবং খালে বালু উত্তোলনের মেশিন বসিয়ে বালি উত্তোলন করে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, এখানে বিশাল একটি সিন্ডিকেট হয়েছে। তাদের সিন্ডিকেটের মধ্যে রয়েছে- খাগড়াছড়ি জেলাশহরসহ মোট ৯টি উপজেলায় এই সকল সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে দেড় শতাধিক অবৈধ বালু মাহাল।

সম্প্রতি, গুইমারা উপজেলার বাইল্যাছড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার দায়ে সাচিং মারমা নামে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তুষার আহমেদ বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের কার্যক্রম ধারাবাহিক ভাবে চলমান থাকবে। সরকারের অনুমোদনহীন বালুর ঘাট ও অবৈধভাবে পাহাড় কাটার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা। উক্ত উপজেলার এলাকাবাসী ও সচেতন নাগরিক সমাজের অভিমত ব্যক্ত করে বলে, গুইমারা আরো ১৪টি বালুর ঘাট রয়েছে।

অপরদিকে, অন্যান্য উপজেলায় রয়েছে প্রায় আরো দেড়শতাধীক বালুর ঘাট। বালুর উত্তোলন কারীদের জন্য করা আইনের তোয়াক্কা না করে তারা নির্ধিদায় বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে। সুত্রে জানা যায়, প্রভাবশালীরা এসব অপকর্মে সাথে জড়িত বলে কোন সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডণীয় অপরাধ।

Design & Developed BY Muktodhara Technology Ltd