শনিবার, ২৫ Jun ২০২২, ০২:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
গুইমারায় সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল অবৈধ কাঠ জব্দ গুইমারায় স্কুল ব্যাগ,সেলাই মেশিন ও স্যানিটারী ন্যাপকিন বিতরণ খাগড়াছড়িতে আ’লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ২২ জুন থেকে কাপ্তাই হ্রদে চলবে লঞ্চ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিরব ভূমিকায় খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে সাংবাদিক পরিবারের জায়গা উপর হামলা ও জায়গা দখলের চেষ্টা পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রার্থনা ও খাবার বিতরণ খাগড়াছড়ির সড়ক বিভাগের সবুজ চাকমা শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন ভারীবর্ষণে পাহাড় ধ্বসের আশঙ্কায় নানিয়ারচরে প্রশাসনের সচেতনতামূলক অভিযান বাঘাইছড়িতে বন্যার্তদের মাঝে ২৭ বিজিবির ত্রাণ বিতরণ খাগড়াছড়ি সদরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও দীঘিনালায় অপরিবর্তিত
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মাথা বিহীন লাশ উদ্ধার

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মাথা বিহীন লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক:: খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালায় একজনের মাথা বিহীন লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত জাহাঙ্গীর আলম (৫০) উপজেলার পূর্ব হাজাছড়া গ্রামের মৃত সফি উল্লাহর ছেলে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে ডেবার পাড় এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও নিহতের মাথা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১০ জুন) সকালে হাজাছড়া যাওয়ার পথে ডেবার পাড়ে নিহতের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। পরে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মাথা বিহীন লাশ উদ্ধার করেন। এসময় তার সাথে থাকা আলু, ডাল, বিস্কুট ইত্যাদি পাওয়া যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, বাজার থেকে ফেরার পথে মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটতে পারে। ঘটনার খবর পেয়ে খাগড়াছড়ি সদর সার্কেল জিনিয়া চাকমা এবং দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম পেয়ার আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

নিহতের স্ত্রী খাদিজা বিবি (৩৫) জানান, তার স্বামী উদ্দীনের দোকানে কারিগর হিসেবে চাকরি করতো। সেখানে বেতন বাড়ানো নিয়ে দুজনের সাথে ঝগড়া হয়। পরে সেখানে চাকরি ছেড়ে দিয়ে ৯ মাস আগে নতুন করে নিজেই দোকান দেয়।

নিহতের শ্বশুর জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমার মেয়ে জামাই জাহাঙ্গীর আলম খুবই সহজ সরল মানুষ। কেনই বা তাকে নির্মমভাবে খুন করা হলো জানিনা।

এ ব্যাপার জাহাঙ্গীর আলম দুলাল (সাবেক মেম্বার) জানান, নিহতের মাথা উদ্ধার করার জন্যে আমার পুকুরে জাল টেনেছি। কিন্ত মাথা খুজে পাওয়া যায়নি।

১নং মেরুং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহামুদা বেগম লাকী জানান, সবার কাছে শুনেছি, তিনি খুবই ভালো লোক ছিলেন, তার পরিবারে স্ত্রী ছাড়াও সাদিয়া আক্তার (১১) ফাহিমা আক্তার (৬) এবং মহিমা আক্তার (১) তিন কন্যা সন্তান রয়েছে।

মেরুং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মাথা এখনো উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডণীয় অপরাধ।

Design & Developed BY Muktodhara Technology Ltd