বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
তুমব্রুর পর মর্টারশেলের শব্দে কেঁপে উঠল জামছড়ি পাহাড় ধসে খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কে কয়েক হাজার পর্যটক আটকা দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পাঁচ শতাধিক রোগীকে চক্ষু চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলায় ক্ষতির সম্মুখীন বাংলাদেশ গুইমারাতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২২ উদযাপন খাগড়াছড়িতে শারদীয় দুর্গোৎসবে গুইমারা সেনা রিজিয়নের সহায়তা ও শুভেচ্ছা বিনিময় পাহাড়ে সকল সম্প্রদায়ের ঐক্যবদ্ধ সহাবস্থান শান্তি-সম্প্রীতির উদাহরণ ২৩ প্রকল্পের কাজ না করে ভূয়া বিল দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাহাড়ের তিন ফুটবল কণ্যা ও সহকারি কোচকে পুনাকের সংবর্ধনা খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত
জেএসএস সন্ত্রাসী কর্তৃক যুবলীগ নেতাকে মারধরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

জেএসএস সন্ত্রাসী কর্তৃক যুবলীগ নেতাকে মারধরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নুরুল আলম:: রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ৩নং চিৎমরম শাখার ওয়ার্ড যুবলীগ সহ-সভাপতিকে জেএসএস সন্ত্রাসী কর্তৃক মারধরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে। সোমবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১২টায় চিৎমরম বাজারে এ সংবাদ সম্মেলন করে কাপ্তাই উপজেলা আ.লীগ সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ করে জানান, গত রবিবার দুপুর ২টায় জেএসএস একদল সন্ত্রাসী এসে চিৎমরম ওয়ার্ড যুবলীগ সহ-সভাপতি ও বাজার ব্যবসায়ী উক্যাসিং মারমা অরূপে রানাকে দোকানে ও পরে মাঠে নিয়ে বেদম প্রহার করে।

এ অভিযোগ পত্রে আরো জানা যায়, চিৎমরমে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন আসলে উক্ত যুবলীগ সহ-সভাপতি জেএসএস সন্ত্রাসীদের খবর দেয়না কেন। তাদের খবর না দেয়ার ফলে জেএসএস সন্ত্রাসীদল কয়েক দফায় উক্ত যুবলীগ নেতাকে মারধর ও আহত করে চলে যায়। বর্তমানে সে বাসায় মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছে ।

এদিকে কাপ্তাই উপজেলা আ.লীগ সভাপতি বলেন, ‘৩নং চিৎমরম প্রায় ১৫ হাজার লোকের বসবাস। এ ১৫ হাজার লোক আজ জেএসএস সন্ত্রাসীর হাতে জিম্মি অবস্থায় বসবাস করছে। কয়েক বছরের মধ্যে দলীয় বহু নেতাকর্মীকে গুলি করে হত্যা ও অপহরণের মাধ্যমে গুম করে রেখেছে। বহু নেতাকর্মীকে একের পর এক বেদম প্রহার করছে।

উপজেলা আ.লীগ সভাপতি ও রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য অংসুইছাইন চৌধুরী নিজে ও তার পরিবারের লোকজন এ সন্ত্রাসীদের হাতে জিম্মি বলে সংবাদ সম্মলনে উল্লেখ করেন। তিনি অতি দ্রুত এ চিৎমরম চাকুয়াপাড়ায় সেনা ক্যাম্প স্থাপনের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মলনে সভাপতিত্ব করেন ৩নং ইউপি পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ.লীগ সভাপতি ওয়েশ্লি মং চৌধুরী।

ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা কি বাংলাদেশ ভূখণ্ডের নাগরিক না। আর যদি আমরা নাগরিক হতাম তাহলে চিৎমরম ১৫ হাজার লোক সন্ত্রাসীদের হাতে জিম্মি থাকত না। আজ আমরা প্রতিটা মুহূর্তে অসহায় অবস্থায় দিন যাপন করছি। এখানে তিনি অতিদ্রুত সেনা ক্যাম্প বসানোর দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে আরোও বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও কাপ্তাই উপজেলা আ.লীগ সাধারণ সম্পাদক (সাবেক) প্রকৌশলী থোয়াইচিং মং চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘প্রশাসনসহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাবর উক্ত এলাকার পরিস্থিতি নিয়ে দলের পক্ষ হতে সেনা ক্যাম্প স্থাপনের বিষয় জানানো হয়। কিন্ত এখন পর্যন্ত বাস্তবায়নের কোন লক্ষণ দেখা যায়নি।

এসময় চিৎমরম বাজার ব্যবসায়ী, ইউপি সদস্য ও উপজেলা আ.লীগ ও অঙ্গসংগঠনের লোকজন এবং এলাকার সর্বস্তরের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডণীয় অপরাধ।

Design & Developed BY Muktodhara Technology Ltd