শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০৩:১৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
রাঙ্গামাটি জেলায় আ’লীগের সম্মেলন রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির প্রথম নারী জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায় “পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও জুম্ম জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবী” কর্ণফুলী নদীতে এখনও ফেরি, সেতু না হওয়ায় যাত্রীদুর্ভোগ চরমে বীর মুক্তিযোদ্ধা রেফায়েত উল্লাহকে গার্ড অব অনার প্রদান রামগড় উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপির কাউন্সিল সম্পন্ন গুইমারা উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীতা বাছাই সম্পন্ন- বাতিল ২ মহালছড়িতে সরকারি টাকা নিয়ে উধাও নিরাপত্তা প্রহরীর কাপ্তাই পিডিবি এলাকায় যাত্রী ছাউনী ও নবনির্মিত রাস্তার উদ্বোধন নানিয়ারচরে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরষ্কার বিতরণ

অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নিদের্শ

ডেস্ক রির্পোট:: বনভূমি থেকে দখলদারদের উচ্ছেদ এবং অবৈধ ইটভাটা বন্ধে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
বুধবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশনে, বল ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী বলেন, আমরা ইটের পরিবর্তে ব্লক ইট প্রস্তুত করার জন্য পরিকল্পনা নিয়েছি বলে এ সংবাদটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রথম পৃষ্টায় প্রকাশিত হয়। আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে সরকারি স্থাপনায় শতভাগ ব্লক ইট ব্যবহার করতে হবে। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। আমরা যখন শতভাগ ব্লকে যাব তখন এমনিতেই ইটভাটা বন্ধ হয়ে যাবে।
এতে ডিসিরা প্রভাবশালীদের বাঁধার সম্মুখীন হন –এ বিষয়য়ে তিনি বলেন, অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করতে গিয়ে ডিসির কোনো সমস্যা হবে বলে আমরা মনে করি না। পুলিশ প্রশাসন ওনাদের সঙ্গে থাকবে। মন্ত্রী বলেন, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অনেক কাজ। বনভূমিকে রক্ষা করা, পরিবেশ সুরক্ষা করা এবং জীববৈচিত্র রক্ষা করা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা পেতে জেলা প্রশাসকদের অনেক সহযোগিতার প্রয়োজন আছে। সেই বিষয়ে আমরা ওনাদের দিক-নির্দেশনা দিয়েছি। পরিবেশ সুরক্ষার জন্য টিলা কাটা, পাহাড় কাটা, গাছ কাটা- এগুলো বন্ধ করার জন্য ওনারা (ডিসি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। বনভূমির যেন কেউ অবৈধভাবে দখল করতে না পারে এবং অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করার বিষয়ে আমরা ওনাদের সহযোগিতা চেয়েছি। প্রাণী সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্যের কথাও তাদের বলেছি। সর্বক্ষেত্রে ওনাদের সহযোগিতার প্রয়োজন আছে। তাই ওনাদের সার্বিক সহযোগিতা আমরা কামনা করেছি।
মন্ত্রী বলেন আমাদের লক্ষ্যমাত্র হচ্ছে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৬ শতাংশ বনায়ন। এসডিজি অর্জনের জন্য ১৬ শতাংশ আচ্ছাদিত বল আমাদের দেখাতে হবে। ১৬ শতাংশ বনায়নের জন্য আমরা ওনাদের সহযোগিতা চেয়েছি। বর্তমানে ১৪ দশমিক ১ শতাংশ বন রয়েছে। সামাজিক বনায়নের ক্ষেত্রে আমরা তো ২২ শতাংশের ওপরেই আছি। তিনি বলেন, দখল হওয়া বনভূমি উদ্ধারে আমরা আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে ওনাদের (ডিসি) চিটি দিয়ে দিয়েছি। কোন জায়গায়, কোন এলাকায়, কোন মৌজায় কতটুকু বনভূমি বেদখল আছে, সেগুলো উদ্ধারের জন্য ওনাদের সহযোগিতা আমরা আগেই চেয়েছি। তালিকা ওনাদের কাছে আছে, প্রত্যেক জেলায় আমরা পৌছে দিয়েছি। ওনারা আমাদের সহযোগিতা করছেন। দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশনে পরিবেশ, বল ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের এ কার্য অধিবেশন হয়। মন্ত্রীপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এতে সভাপতিত্ব করেন।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডণীয় অপরাধ।

Design & Developed BY Muktodhara Technology Ltd