শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০৩:৫১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
রাঙ্গামাটি জেলায় আ’লীগের সম্মেলন রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির প্রথম নারী জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায় “পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও জুম্ম জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবী” কর্ণফুলী নদীতে এখনও ফেরি, সেতু না হওয়ায় যাত্রীদুর্ভোগ চরমে বীর মুক্তিযোদ্ধা রেফায়েত উল্লাহকে গার্ড অব অনার প্রদান রামগড় উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপির কাউন্সিল সম্পন্ন গুইমারা উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীতা বাছাই সম্পন্ন- বাতিল ২ মহালছড়িতে সরকারি টাকা নিয়ে উধাও নিরাপত্তা প্রহরীর কাপ্তাই পিডিবি এলাকায় যাত্রী ছাউনী ও নবনির্মিত রাস্তার উদ্বোধন নানিয়ারচরে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরষ্কার বিতরণ
গোডাউনে মজুদ, বাইরে টানানো ‘আপাতত সয়াবিন তেল নাই’

গোডাউনে মজুদ, বাইরে টানানো ‘আপাতত সয়াবিন তেল নাই’

নুরুল আলমঃ সারাদেশের মতো খাগড়াছড়িতেও তেল নিয়ে তেলেসমাতি চলছে। তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে সয়াবিন তেল মজুদ করছে কিছু কিছু অসাদু ব্যবসায়ী। গোডাউনে সয়াবিন তেল মজুদ রেখে বাইরে বিজ্ঞপ্তি টানিয়ে রাখছে তেল নেই। তবে শেষ রক্ষা হয়নি এমনি এক মুনাফা লোভি ব্যবসায়ী। শুধু তেল নয়, দাম বেড়েছে চাল ও ডালসহ সবগুলো নিত্যপ্রয়োনীয় দ্রব্য মূল্যের।

খাগড়াছড়ি জেলা শহরের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জাফর স্টোর। ফ্রেশ কোম্পানি ডিলার এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রীতিমত বিজ্ঞপ্তি টানিয়ে দিয়েছিলেন, ‘আপাতত সয়াবিন তেল নেই’। তবে কর্মকর্তাদের অভিযানে বেরিয়ে আসে গোডাউনে মজুদ রাখা হয়েছে সয়াবিন তেল।

খোজঁ নিয়ে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (৮ মার্চ) সকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর খাগড়াছড়ি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক পাপিয়া সুলতানা লিজা সয়াবিন তেল নিয়ে খাগড়াছড়ি শহরে অভিযান শুরু করেন। এ সময় তিনি গুদামে মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অধিক দামে তেল বিক্রির সত্যতা পান।

এমন অভিযোগে মেসার্স জাফর স্টোরকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া মেসার্স পলাশ স্টোরকে ১০ হাজার টাকা, ননিচাম স্টোরকে ৮ হাজার টাকা এবং মামুন স্টোরকে ১৯ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর খাগড়াছড়ি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক পাপিয়া সুলতানা লিজা জানান, গুদামে তেল মজুদ রেখে বাইরে তেল নেই বিজ্ঞপ্তি টানিয়ে দিয়েছে। আবার অনেকে অধিক দামে তেল বিক্রি করছে। তাদের সবাইকে আর্থিক জরিমানা করেছি। ভবিষ্যতে তাঁরা এমন কাজ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেব।

এদিকে ক্রেতা সাধারণ বলছেন, বাজারে পাঁচ লিটার বোতলের তেলের আকাল চলছে। এক ও দুই লিটার বোতলের তেল পাওয়া গেলেও তা চাহিদার তুলনায় ভীষণ অপ্রতুল। আর অন্যদিকে ডিলাররা বলছে-প্রায় দেড় মাস ধরে কোম্পানি থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। কোম্পানি থেকে বলা হচ্ছে, সরকার সয়াবিন বিক্রির যে দর নির্ধারণ করেছে বিদেশ থেকে তার চেয়ে বেশি দামে তেল আমদানি করতে হচ্ছে তাদের। তার জন্য কোম্পানি তেল দিচ্ছে না আমাদের।’

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডণীয় অপরাধ।

Design & Developed BY Muktodhara Technology Ltd