রবিবার, ০৪ Jun ২০২৩, ০১:৪৫ অপরাহ্ন

মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে সুপারিশ থাকবে ব্যবস্থা নিতে

মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে সুপারিশ থাকবে ব্যবস্থা নিতে

                                                                                                                        ——কমিশন চেয়ারম্যান ড.কামাল উদ্দিন আহমেদ
নুরুল আলম::: পার্বত্য চট্টগ্রামে আপাতৎ যে মানবাধিকার অবস্থায় রয়েছে আমরা যে অভিযোগগুলো পেয়েছি সে গুলোকে আমরা খতিয়ে দেখছি। বান্দরবানের লামায় ম্রোপাড়ায় বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দেওয়া অবশ্যই মাববাধিকারের লঙ্ঘন।

চাষের জমি পুড়িয়ে দেওয়া, ৩শ,সাড়ে ৩শ একর জায়গা পুড়য়ে দেওয়া এটা অবশ্যই নিশ্চই মানবাধিকারের লঙ্ঘন। সেগুলোর বিষয়ে আমরা গত বছর এপ্রিলের ২৬ তারিখ থেকে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড.কামাল উদ্দিন আহমেদ।

পাহাড়ের মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে সোমবার (১৬ জানুয়ারি ২০২৩) রাতে মতবিনিময় সভা শেষে খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউজে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড.কামাল উদ্দিন আহমেদ এ সব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, মানুষ জনকে আমরা তাদের বিভিন্ন সহায়ক শক্তিগুলোকে বলেছি সহায়তা দেওয়ার জন্য এবং সে ক্ষেত্রে এ গুলো কেন হচ্ছে তা নিয়ে আমরা বিশ্লেষণ করবো সরকারকে আমরা বলবো যে যাকে করে যথাযথ প্রদক্ষেপ নেওয়া হয়। এছাড়াও যে কোন জায়গা থেকে যা যা অভিযোগ আসছে তা নিয়ে কাজ হচ্ছে এবং সংগঠিত বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ থাকবে বলেও তিনি জানান।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে খাগড়াছড়ি জেলা মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ ও সুরক্ষা কমিটির সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের আরো বলেন, যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে সেখানের সুনিদিষ্ট অভিযোগ ও তথ্য পেলে এ কমিশন কাজ করবে। আমরা স্বোচ্ছার আছি এবং সফল ভাবে কাজ করতে পারবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো: সেলিম রেজা,কমিশন সদস্য মো: আমিনুল ইসলাম,খাগড়াছড়ির বাসিন্দা কংজরী চৌধুরী,ড.বিশ্বজিৎ চন্দ,ড. তানিয়া হক ও কাওসার আহমেদ,সচিব (যুগ্ম সচিব) নারায়ন চন্দ্র সরকার,পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত)(জেলা ও দায়রা জজ)আশরাফুল আলম,পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী আরফান আশিক,উপপরিচালক মো.আজহার হোসেন,উপপরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ)জামাল উদ্দিন,রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম,প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আবু সালেহ এবং চেয়ারম্যানের দেহরক্ষী মো.ইসমাঈল হোসেন সফল সঙ্গি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মতামত ও বক্তব্য রাখেন,খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মো. নাইমুল হক,খাগড়াছড়ি সাবেক এমপি যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরা,বীর মুক্তিযোদ্ধা রণ বিক্রম ত্রিপুরা,দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি সুদর্শন দত্ত,প্রেসক্লাব সভাপতি জীতেন বড়ুয়া প্রমূখ।

এর আগে বিকেলে ভিন্ন ভিন্ন ব্যানারে বেদখল ভূমি ফেরতের দাবী করে মানববাধিকার লঙ্ঘন বন্ধসহ ২০১৮ সালের ১৮ আগষ্ট স্বনির্ভর হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবীতে মাববাধিকার কমিশনের তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করে দোষিদের শাস্তির বাদীতে মানববন্ধন করেছে নিহতের পরিবারের সদস্য ও ভূমি রক্ষা কমিটি।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডণীয় অপরাধ।

Design & Developed BY Muktodhara Technology Ltd